জীবনের গল্প 🌸


 নাফিসা আর রিদয় বিয়ে করেছে পাঁচ বছর। একসময় তাদের দিন শুরু হতো একে অপরের কথা দিয়ে, আর শেষ হতো ভালোবাসার মিষ্টি বাক্যালাপ দিয়ে।


কিন্তু এখন যেন একটা দেয়াল দাঁড়িয়ে গেছে।


রিদয় অফিসের কাজে এত ব্যস্ত যে নাফিসার সঙ্গে একটুও সময় কাটাতে পারে না। নাফিসা দিন দিন একা অনুভব করতে লাগল।


একদিন রাতে, নাফিসা বলল,


—তুমি কি আগের মতো আমাকে ভালোবাসো না?


রিদয় কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,


—এমন কেন বলছো?


—আগে আমাদের সম্পর্ক ছিল আনন্দে ভরা, এখন শুধু দুরুত্ব।


রিদয় দীর্ঘশ্বাস ফেলল,


—জীবনের বাস্তবতা অনেক কিছু বদলে দেয়, নাফিসা।


নাফিসার চোখ ছলছল করে উঠল। ভালোবাসাটা কি সত্যিই ফিকে হয়ে গেছে?


অধ্যায় ২: সন্দেহের শুরু


নাফিসা লক্ষ্য করছিল, রিদয় মাঝে মাঝে দেরি করে বাসায় ফিরছে, ফোনে কারও সঙ্গে হাসি-হাসি মুখে কথা বলছে, আর মাঝে মাঝে আনমনা হয়ে যাচ্ছে।


একদিন রাতে, রিদয়ের ফোনে একটা মেসেজ এলো—


"কাল দেখা হবে, অপেক্ষায় থাকবো!"


নাফিসার বুক ধক করে উঠল।


সে কি ভুল ভাবছে, নাকি সত্যিই কিছু একটা লুকিয়ে আছে?


অধ্যায় ৩: সত্যের মুখোমুখি


পরদিন, রিদয় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নাফিসা তার পিছু নিল।


সে দেখল, রিদয় একটা কফিশপে ঢুকল। কিছুক্ষণ পর, এক সুন্দরী মেয়ে এসে তার সামনে বসল।


নাফিসার মনে হলো, সে দম নিতে পারছে না।


সে দ্রুত সামনে গিয়ে বলল,


—তুমি এখানে কী করছো, রিদয়?


রিদয় হতবাক হয়ে তাকাল। মেয়েটিও বিস্মিত হয়ে গেল।


—নাফিসা! তুমি এখানে?


নাফিসার চোখ ছলছল করছিল।


—এই মেয়েটা কে?


রিদয় মৃদু হাসল।


—এটা আমার সহকর্মী, অরিন।


নাফিসা বিশ্বাস করতে পারছিল না।


—তাহলে কেন লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করছিলে?


অরিন বিব্রত হয়ে উঠে দাঁড়াল।


রিদয় একটা ছোট্ট বক্স বের করল।


—আমি তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ প্ল্যান করছিলাম।


নাফিসা বিস্মিত হয়ে তাকাল।


অধ্যায় ৪: ভালোবাসার পুনর্জন্ম


সেদিন রাতে, নাফিসা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলল,


—আমি তোমাকে সন্দেহ করেছিলাম, আমি ভাবছিলাম তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছো।


রিদয় মৃদু হাসল।


—তুমি কখনো আমাকে বোঝার চেষ্টা করোনি, আমি কেন এত ব্যস্ত ছিলাম।


নাফিসা চুপ করে রইল।


—আমি ব্যস্ত ছিলাম তোমার জন্য একটা বিশেষ কিছু করতে। ভালোবাসা শুধু মুখের কথায় প্রকাশ করা যায় না, কাজে দেখাতে হয়।


রিদয় ধীরে ধীরে নাফিসার হাত ধরল।


—আমি আজও তোমাকে আগের মতোই ভালোবাসি, নাফিসা।


নাফিসা চোখ বন্ধ করল, দীর্ঘশ্বাস নিল।


সেই রাতে, তারা অনেকদিন পর একসঙ্গে গল্প করল, পুরনো দিনের মতো হাসল।


ভালোবাসা কখনো ফুরিয়ে যায় না, শুধু মাঝে মাঝে ভুল বোঝাবুঝির নাফিসা আর রিদয় বিয়ে করেছে পাঁচ বছর। একসময় তাদের দিন শুরু হতো একে অপরের কথা দিয়ে, আর শেষ হতো ভালোবাসার মিষ্টি বাক্যালাপ দিয়ে।


কিন্তু এখন যেন একটা দেয়াল দাঁড়িয়ে গেছে।


রিদয় অফিসের কাজে এত ব্যস্ত যে নাফিসার সঙ্গে একটুও সময় কাটাতে পারে না। নাফিসা দিন দিন একা অনুভব করতে লাগল।


একদিন রাতে, নাফিসা বলল,


—তুমি কি আগের মতো আমাকে ভালোবাসো না?


রিদয় কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,


—এমন কেন বলছো?


—আগে আমাদের সম্পর্ক ছিল আনন্দে ভরা, এখন শুধু দুরুত্ব।


রিদয় দীর্ঘশ্বাস ফেলল,


—জীবনের বাস্তবতা অনেক কিছু বদলে দেয়, নাফিসা।


নাফিসার চোখ ছলছল করে উঠল। ভালোবাসাটা কি সত্যিই ফিকে হয়ে গেছে?


অধ্যায় ২: সন্দেহের শুরু


নাফিসা লক্ষ্য করছিল, রিদয় মাঝে মাঝে দেরি করে বাসায় ফিরছে, ফোনে কারও সঙ্গে হাসি-হাসি মুখে কথা বলছে, আর মাঝে মাঝে আনমনা হয়ে যাচ্ছে।


একদিন রাতে, রিদয়ের ফোনে একটা মেসেজ এলো—


"কাল দেখা হবে, অপেক্ষায় থাকবো!"


নাফিসার বুক ধক করে উঠল।


সে কি ভুল ভাবছে, নাকি সত্যিই কিছু একটা লুকিয়ে আছে?


অধ্যায় ৩: সত্যের মুখোমুখি


পরদিন, রিদয় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নাফিসা তার পিছু নিল।


সে দেখল, রিদয় একটা কফিশপে ঢুকল। কিছুক্ষণ পর, এক সুন্দরী মেয়ে এসে তার সামনে বসল।


নাফিসার মনে হলো, সে দম নিতে পারছে না।


সে দ্রুত সামনে গিয়ে বলল,


—তুমি এখানে কী করছো, রিদয়?


রিদয় হতবাক হয়ে তাকাল। মেয়েটিও বিস্মিত হয়ে গেল।


—নাফিসা! তুমি এখানে?


নাফিসার চোখ ছলছল করছিল।


—এই মেয়েটা কে?


রিদয় মৃদু হাসল।


—এটা আমার সহকর্মী, অরিন।


নাফিসা বিশ্বাস করতে পারছিল না।


—তাহলে কেন লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করছিলে?


অরিন বিব্রত হয়ে উঠে দাঁড়াল।


রিদয় একটা ছোট্ট বক্স বের করল।


—আমি তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ প্ল্যান করছিলাম।


নাফিসা বিস্মিত হয়ে তাকাল।


অধ্যায় ৪: ভালোবাসার পুনর্জন্ম


সেদিন রাতে, নাফিসা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলল,


—আমি তোমাকে সন্দেহ করেছিলাম, আমি ভাবছিলাম তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছো।


রিদয় মৃদু হাসল।


—তুমি কখনো আমাকে বোঝার চেষ্টা করোনি, আমি কেন এত ব্যস্ত ছিলাম।


নাফিসা চুপ করে রইল।


—আমি ব্যস্ত ছিলাম তোমার জন্য একটা বিশেষ কিছু করতে। ভালোবাসা শুধু মুখের কথায় প্রকাশ করা যায় না, কাজে দেখাতে হয়।


রিদয় ধীরে ধীরে নাফিসার হাত ধরল।


—আমি আজও তোমাকে আগের মতোই ভালোবাসি, নাফিসা।


নাফিসা চোখ বন্ধ করল, দীর্ঘশ্বাস নিল।


সেই রাতে, তারা অনেকদিন পর একসঙ্গে গল্প করল, পুরনো দিনের মতো হাসল।


ভালোবাসা কখনো ফুরিয়ে যায় না, শুধু মাঝে মাঝে ভুল বোঝাবুঝির কারণে ধুলো জমে যায়। আর সত্যিকারের ভালোবাসা ধুলোর ওপরে নয়, অন্তরের গভীরতায় গড়ে ওঠে।


—সমাপ্ত—কারণে ধুলো জমে যায়। আর সত্যিকারের ভালোবাসা ধুলোর ওপরে নয়, অন্তরের গভীরতায় গড়ে ওঠে।


—সমাপ্ত—

Post a Comment

Previous Post Next Post